Header AD

How to Become a Web Developer?

How to Become a Professional Web Developer And Web Designer?

আপনি কি একজন ওয়েব ডেভেলপার হতে চান। যদি হতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে এই পোস্ট টি মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়তে হবে। পোষ্টের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কিভাবে আপনি একজন সফল ওয়েব ডেভলপার হতে পারবেন। ওয়েব ডেভলপার হতে আপনার কোন কোন বিষয়গুলো শিখতে হবে। শুধু এটাই নয় পোস্টের শেষে আমি আপনাদেরকে জানাবো ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শেখার পর আপনি কিভাবে একজন সফল ডেভলপার হতে পারবেন এবং কোথা থেকে আপনি সহজে খুব বেশি লাভবান হতে পারবেন। তাহলে চলুন দেরী না করে শুরু করে দেই।

Web Developer And Web Designer Gide


ওয়েব ডেভলপারদের প্রধান কাজ:
শুরু করার আগে আপনাদের জানিয়ে রাখি ওয়েব ডেভলপার প্রধানত কি কাজ করে থাকে অর্থাৎ এদের প্রধান কাজ কি। ওয়েব ডেভলপার প্রধানত ওয়েব অ্যাপস বা ওয়েবসাইট তৈরি করে থাকে। আপনি অনলাইনে যত ধরনের ওয়েবসাইট ভিজিট করছেন সবগুলো কোনো-না-কোনো ওয়েব অ্যাপস বা ওয়েবসাইট। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় prothom-alo.com, youtube.com, facebook.com, google.com এই সবগুলোই ওয়েবসাইট বা ওয়েব অ্যাপস। একটি ওয়েবসাইটের প্রধানত দুটি অংশে থাকে একটি হল ওয়েব ডিজাইন এবং অন্যটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। সাধারণ ব্যবহারকারীরা যখন ওয়েবসাইটে ভিজিট করে তখন তারা ওয়েব ডিজাইন টা দেখতে পারে কিন্তু web-development দেখতে পায় না। এর সবচাইতে সহজ উদাহরণ ইউটিউব। আপনি ইউটিউব যে ভিডিওটা দেখছেন সেটি কোন প্লেয়ারের চলছে, এটির লাইক বাটন, কমেন্টস, বিভিন্ন ধরনের বাটন দেখতে যেমন সবগুলোই ওয়েব ডিজাইন। কিন্তু আপনি যখন লাইক করছেন বা একটি কমেন্ট করছেন সেটি যেভাবে কাজ করছে সেটি হল ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। যে কাজটি আমাদের আড়াল থেকে হয়ে যাচ্ছে। আপনি যখন লাইক বাটন টা ক্লিক করছেন এটা ইউটিউব এর ডাটাবেজে গিয়ে সেভ হয়ে আছে। ডাটাবেজ মানে হল মেমোরি কার্ডের মত । মেমোরি কার্ডে আমরা যেমন বিভিন্ন গান, ভিডিও, ছবি এগুলো সেভ করে রাখতে পারি। ওয়েব সাইটের কনটেন্ট গুলো ডাটাবেজে সেভ হয়ে থাকে। অতএব, ওয়েব ডিজাইন আমরা সকলে দেখতে পাই, কিন্তু ডেভেলপমেন্ট আমাদের দেখার বাইরে।

ওয়েব ডেভলপার কত ধরনের হতে পারে?

ওয়েব ডেভলপার প্রধানত তিন ধরনের হয়ে থাকে ‌।
১। ফ্রন্ট ইন্ড ডেভলপার।
২। ব্যাক ইন্ড ডেভলপার।
৩। ফুল স্ট্যাক ডেভলপার।

১। ফ্রন্ট ইন্ড ডেভলপার :
ফ্রন্ট ইন্ড ডেভলপার মূলত ওয়েবসাইট বা ওয়েব অ্যাপস ডিজাইন করে থাকে। তারা অ্যাপস বা ওয়েবসাইট ডিজাইন করে থাকে ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর বা স্কেস অ্যাপ ব্যবহার করার মাধ্যমে। এবং এই ডিজাইনগুলো কে তারা এইচটিএমএল, জাভাস্ক্রিপ্ট, সিএসএস কোড এ কনভার্ট করে। যেটা ফাংশনাল না।

২। ব্যাক ইন্ড ডেভলপার:
ব্যাক ইন্ড ডেভলপারদের ফ্রন্ট ইন্ড ডেভলপারদের নলেজ থাকতে হয়। কিন্তু ব্যাক ইন্ড ডেভেলপাররা ডিজাইনের কাজটা করে না। তারা ফন্ট ইন্ড ডেভলপারদের কাছ থেকে স্ট্যাটিক কোড গুলো নিয়ে সেটাকে ডায়নামিক করে। অর্থাৎ একটা ওয়ার্কিং ওয়েবসাইটে পরিণত করে। যেটার একটা এডমিন প্যানেল থাকে।এখান থেকে ওয়েব সাইটের সকল কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এই ডেভলপার তার কাজগুলো করার পরে এডমিন এর কোন ডেভলপমেন্ট এর কাজ প্রয়োজন পড়ে না।সাধারণত এডমিন তার প্যানেল থেকে যেকোনো ধরনের কনটেন্ট যোগ অথবা বাদ দিতে পারে। এটি করার পর ওয়েব সাইটের সকল বাটন সঠিকভাবে কাজ করবে।

৩। ফুল স্ট্যাক ডেভলপার:
ফুল স্ট্যাক ডেভলপাররা মূলত অলরাউন্ডার। এই ডেভলপাররা মূলত ওয়েব ডিজাইন এবং web-development দুই দিকেই জ্ঞান রাখে। অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইট বা ওয়েব অ্যাপস এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল কাজ সে একা করতে পারে।

আপনি এখন ভাবতে পারেন তাহলে আমি কেন ফ্রন্ট ইন্ড ডেভলপার বা ব্যাক ইন্ড ডেভলপার হব। ফুল স্টক ডেভলপার হলে তো বেশি সুবিধা। অবশ্যই আপনি ফুল স্ট্যাক ডেভলপার হতে পারবেন। তবে একটি বিষয়, প্রাথমিকভাবে আপনি সব ধরনের কাজ একা করতে চাইলে গুলিয়ে ফেলতে পারেন। এছাড়া আপনি একটি প্রজেক্ট যদি একাই করতে চান তবে অনেক বেশি সময়ের প্রয়োজন হবে। এ কারণে ওয়েব ডেভলপার রা মূলত একটি টিম সহ কাজ করে। বিভিন্ন কাজগুলো টিমের মেম্বারদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয়। ফলে কাজগুলো অনেক সহজ হয় এবং একটি প্রজেক্ট দ্রুত শেষ করা সম্ভব হয়।

ওয়েব ডেভলপার হওয়ার জন্য কি কি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখা প্রয়োজন :
যেকোনো অ্যাপস কিংবা ওয়েবসাইট তৈরি করা হয় কম্পিউটারের প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের দিয়ে। অর্থাৎ আপনি স্মার্টফোনে কিংবা কম্পিউটারে যে অ্যাপস গুলো দেখছেন কিংবা আপনি যে ওয়েবসাইটে ভিজিট করছেন তার সবগুলোই তৈরি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দ্বারা। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শেখার জন্য কি কি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখা প্রয়োজন সেটি নিচে আলোচনা করা হলো।

HTML

শুরুতেই আপনাকে যে ল্যাঙ্গুয়েজ টা শিখতে হবে সেটি হল এইচটিএমএল। এইচটিএমএল মূলত একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ। এটি দিয়ে মূলত মার্ক করা হয় একটি ওয়েব পেজকে। কোথায় একটি ওয়েবসাইটের হেড সেকশন হবে। কোথায় একটি ওয়েবসাইটের সাইডবার সেকশন হবে। কোথায় ফুটার সেকশন হবে এ সমস্ত বিষয় গুলো মার্কআপ করা হয় এই এইচটিএমএল ল্যাঙ্গুয়েজ টি দাঁড়া। অর্থাৎ এইচটিএমএল আপনি শিখবেন একটি ওয়েবসাইট এর বিভিন্ন অংশ কিভাবে ভাগ করতে হয় এটা শেখার জন্য।

CSS

এইচটিএমএল এর পর আপনার যে ল্যাংগুয়েজ শিখতে হবে সেটি হল সিএসএস। সিএসএস এর কাজ হল এইচটিএমএল দ্বারা ওয়েবসাইটের যে কোডগুলো মার্ক করেছেন সেগুলো ডিজাইন করা। ওয়েবসাইটের ডিজাইন কেমন হবে, ফন্টের সাইজ বা আকার কেমন হবে, সেটি দেখতে কেমন হবে, ব্যাকগ্রাউন্ড এর কালার সাদা হবে নাকি অন্য কালার হবে । এসব গুলো সাধারণত নির্ধারণ করা হয় সিএসএস দিয়ে।

JavaScript and jQuery

সিএসএস এর পরেই আপনাকে যে বিষয়টি শিখতে হবে সেটি হল জাভাস্ক্রিপ্ট এবং যে-কিউরি। জাভাস্ক্রিপ্ট এবং যে-কিউরি দিয়ে একটি ওয়েবসাইটে ইন্টার্নাল বিভিন্ন বিষয় একটিভ করা হয়। এটির বড় উদাহরণ হচ্ছে ফেসবুক। ফেসবুকে আপনি যখন কোন পোস্ট করেন তখন কেউ লাইক কিংবা কমেন্ট করলে আপনার কাছে একটি নোটিফিকেশন চলে আসে। এই যে আপনার কাছে একটি নোটিফিকেশন আসলো এটাই হলো ইন্টার অ্যাক্টিভিটি। যে বিষয়গুলো জাভাস্ক্রিপ্ট এবং যে কিউরি দিয়ে করা হয়। আপনি যখন ওয়েবসাইট তৈরি করবেন তখন ওয়েবসাইট এর ভিতরে বিভিন্ন স্লাইডার এবং বিভিন্ন ইন্টার অ্যাকটিভিটি যুক্ত করবেন। যেগুলো যুক্ত করার জন্য আপনি জাভাস্ক্রিপ্ট এবং যে কিউরি শিখবেন।

Responsive Design Fundamental

ওয়েব ডিজাইন করতে হলেশিখতে হবে সেট হলো রেস্পন্সিভ ডিজাইন ফান্ডামেন্টাল। সাধারণত ওয়েবসাইটের ভিজিটর তাদের বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস থেকে ওয়েবসাইটে ভিজিট করে থাকে। এ কারণে ওয়েব সাইটটি এমনভাবে রেস্পন্সিভ করতে হয় যেন এটি সব ধরনের ডিভাইসে সঠিকভাবে সাপোর্ট করে। যদি এটি না করা হয় তবে যারা মোবাইল কিংবা ট্যাব থেকে ওয়েবসাইট ভিজিট করবে তারা সঠিকভাবে ওয়েবসাইটে দেখতে পাবে না । ওয়েবসাইটটি ভেঙে ভেঙে যাবে। আর যদি আপনি ওয়েবসাইটটি সঠিকভাবে রেস্পন্সিভ করেন তবে যে কেউ যেকোনো ডিভাইস থেকে আপনার ওয়েব সাইটটি ভিজিট করুক না কেন সকলে সঠিকভাবে এবং সুন্দরভাবে আপনার ওয়েবসাইটে দেখতে পাবে।

Bootstrap

Bootstrap একটি জনপ্রিয় ফন্ট ইন ফ্রেমওয়ার্ক। বিভিন্ন ক্লায়েন্টস এবং কোম্পানি এই ফ্রেমওয়ার্ক টি ব্যবহার করার জন্য রিকমেন্ড করে তাদের প্রোজেক্টের জন্য। সুতরাং আপনাকে এই ফ্রেমওয়ার্ক টি সঠিক ভাবে শিখতে হবে। অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজ এর তুলনায় এই ল্যাঙ্গুয়েজ টি শেখা অনেকটা সহজ। এগুলো শেখার পর আপনাকে সার্ভার লাইন সেটআপ ল্যাঙ্গুয়েজ শিখতে হবে। যেনো আপনি আপনার ডিজাইন করা ওয়েবসাইট বা অ্যাপস কে ডায়নামিক এবং ফাংশানাল করতে পারেন।

PHP - RUBY - PYTHON - NODE JS

অনেকগুলো সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্ট ইন ল্যাঙ্গুয়েজ আছে। যেমন, PHP - RUBY - PYTHON - NODE JS। আপনি যেকোনো একটিকে পছন্দ করে কাজ শুরু করবেন। যেন সবগুলি কাজ আবার একসাথে শিখতে যাবেন না তাহলে গুলিয়ে ফেলবেন।

WordPress or Laravel

পুরো অনলাইন জগতের যতগুলো ওয়েবসাইট আছে তার 35 থেকে 40 ভাগ ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে অপারেট হচ্ছে। যতগুলো ই-কমার্স ওয়েবসাইট আছে তার মধ্যে প্রায় 60 ভাগ ওয়েবসাইট wordpress-এর আরেকটি প্লাগিন দিয়ে চলছে। সুতরাং , ওয়েবসাইটের মার্কেটে এক বিশাল জায়গা জুড়ে আছে ওয়াডপ্রেস। ওয়াডপ্রেস এর কাজটি শিখলে আপনি খুব সহজে এ বিষয়ক অনেক কাজ পেয়ে যাবেন। ওয়াডপ্রেস এর পাশাপাশি আরেকটি জনপ্রিয় অপারেট সাইট হচ্ছে লারাভেল। ওয়াডপ্রেস অথবা লারাভেল দুটির একটি শিখতে পারলে চলবে। তবে আমি বলবো ওয়ার্ডপ্রেসে শেখাটা সবচাইতে বেশি ভালো হবে। কারণ ওয়ার্ডপ্রেসের মার্কেটপ্লেস অনেক বেশি।

Git

ওয়াডপ্রেস এর পরে যে বিষয়টা আপনাকে শিখতে হবে সেটি হল Git। গিট একটি সফটওয়্যার ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেম।

UI/UX

UI/UX এর অর্থ হলো সফটওয়্যার ডিজাইন করা। ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর বা স্কেচ এর মত অ্যাপ ব্যবহার করে সফটওয়্যার ডিজাইন করা। অনেকেই ডিজাইন টা শিখে কিন্তু কোডিং টা শিখে না। অনেকে আবার কোডিং শেখে কিন্তু ডিজাইন টা শিখে না। কিন্তু আপনি যদি একজন ভাল মানের ডেভলপার হতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে দুইটি বিষয় একসাথে শিখতে হবে।

Basic SEO:

ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং ডেভলপমেন্ট শেখার পাশাপাশি আপনি কিছু Basic SEO শিখে রাখবে। একটি ওয়েবসাইটকে গুগল রাঙ্কিং এ আনার জন্য সবচেয়ে প্রধান বিষয় হলো ওয়েব সাইটের কনটেন্ট। এরপরেও ওয়েবসাইট টি কিভাবে কোডিং করা হয়েছে এর উপরে অনেকখানি রাঙ্কিং নির্ভর করে। আপনি যদি আপনার কোন ক্লায়েন্ট বা কোম্পানির জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করেন অবশ্যই সেটি এসইও ফ্রেন্ডলি করতে হবে যেন খুব সহজে গুগোল রাঙ্কিং এ আপনার আপনার ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইট চলে আসে। এজন্য SEO ফ্রেন্ডলি এইচটিএমএল কোডগুলো কোথায় বসাতে হবে এ বিষয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা থাকা উচিত। হেডিং ট্যাগ, অ্যাড কোড ট্যাগ, সাব হেডিং ট্যাগ এগুলো খুবই প্রয়োজন ওয়েবসাইটের জন্য। এজন্য বেসিক কিছু এসইও শিখে নেওয়া প্রয়োজন।

Photoshop:

ওয়েব ডিজাইন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে ফটোশপ সম্পর্কে বেসিক কিছু জ্ঞান থাকতে হবে।

ওয়েব ডেভলপার হওয়ার সুবিধা:
এখন আপনাদেরকে জানাবো একজন ভালো মানের ওয়েব ডেভেলপার হওয়ার পর আপনার জন্য কি কি বেনিফিট বা সুবিধাগুলো আপনার জন্য ওপেন হয়ে যাবে।
১‌. আপনি বিভিন্ন সফটওয়্যার এবং টেকনোলজি কোম্পানিতে ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে চাকরি করতে পারবেন।
২. ওয়েবসাইট ডেভলপারদের অনলাইন জগতে অনেক বেশি ডিমান্ড। এমন কোন কোম্পানি নেই যে তাদের ওয়েবসাইটের প্রয়োজন নেই। ছোট-বড়-মাঝারি প্রায় সব কোম্পানিরই ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ প্রয়োজন। কোম্পানিগুলো তাদের প্রোডাক্ট বা সেবা কাস্টমারদের কাছে বিক্রয় বা এড দেয়ার জন্য তাদের নিজস্ব একটা ওয়েবসাইট প্রয়োজন।
৩. আপনি নিজেই আপনার নিজস্ব একটি সফটওয়্যার কোম্পানি লঞ্চ করতে পারেন। এবং সফটওয়্যার রিলেটেড সার্ভিসগুলো বিভিন্ন কোম্পানিকে অফার করতে পারেন।
উপরের ধারাবাহিকতা হিসেবে আপনি আজই শিখতে শুরু করুন। সবগুলো শেখা শেষ হয়ে গেলে আপনি একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডেভলপার হয়ে উঠতে পারবেন।

Post a Comment

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post

ads

Post ADS 1

ads

Post ADS 1