Header AD

বন্ধ হবে না হাতে থাকা অবৈধ মোবাইল ফোন

অবৈধ মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য সুসংবাদ

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যামসুন্দর শিকদার জানিয়েছে ২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যাবে। তবে সাধারণ মানুষের মনে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে তাদের হাতে থাকা মোবাইল ফোনগুলোকে নিয়ে। বিটিআরসি আগেই জানিয়েছে যে হাতে থাকা অবৈধ মোবাইল সেট গুলোকে নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হবে। সুতরাং, এসব হ্যান্ডসেট গ্রাহকরা আপাতত চিন্তা মুক্ত থাকতে পারছে।


যে কারনে বন্ধ হচ্ছে না এসব মোবাইল


গত ৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিটিআরসি চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভায় বলেন, ১ জুলাই থেকে গ্রাহকদের হাতে থাকা মোবাইল সেটগুলো মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধন হয়ে যাবে।

চেয়ারম্যান বলেন, আমরা চায় না যে গ্রাহকরা কোনো সমস্যায় পড়ুক। গ্রাহকরা যে ডিভাইসগুলো ব্যবহার করছে অর্থাৎ হাতে থাকা অবৈধ মোবাইলগুলো স্বয়ংক্রিয় ভাবে নিবন্ধন করতে চাই। তবে যেসব মোবাইল নতুন করে নিয়ে আসা হবে সেগুলো অবশ্যই আগে থেকে নিবন্ধন করে নিতে হবে।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, নতুন কোন হ্যান্ডসেটগুলো মোবাইল অপরেটরদের নেটওয়ার্কে আছে সেটি ম্যানুয়াল ভাবে ১৬ জানুয়ারি থেকে জানাবে অপরেটরগুলো। এরপর সাতদিনের মধ্যে জানা যাবে মোবাইলটি বৈধ নাকি অবৈধ। পরবর্তী সময়ে সে হিসেবে কাজ করা হবে।

দেশীয় একটি প্রতিষ্টান গত ডিসেম্বরে অবৈধ সেট নিবন্ধন এবং বন্ধে বিটিআরসির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। বিটিআরসির চুক্তি অনুসারে আগামি ১২০ দিনের ভেতর এনইআইআর (ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি) সিস্টেম চালু করতে হবে প্রতিষ্ঠানটির।


অবৈধ মোবাইল যেভাবে নিবন্ধন করতে হবে


তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত সাত কোটি মোবাইল ফোনের তথ্য এবং প্রায় ১৪ কোটি আইএমআই নাম্বার এনএআইডি ( নক অটোমেশন অ্যান্ড আইএমইআই ডেটাবেজ) সিস্টেমে সংযোজন হয়েছে। এর সাহায্যে প্রতিটি মোবাইল সরাসরি বিটিআরসির সাথে মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে সংযোজন থাকবে।

ব্যবহারকারীর হাতে থাকা মোবাইল ফোনগুলো মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিজে নিজেই নিবন্ধন হয়ে যাবে। হিসেবমতে দেশে এখনও নিবন্ধনহীন মোবাইলের সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি।

এদিকে বিদেশ থেকে নিজের জন্য কিংবা উপহার দেয়ার জন্য কেউ কোন স্মার্টফোন নিয়ে আসলে সেটি  এনইআইআর ডাটাবেজে নিবন্ধন করতে হলে অবশ্যই বিটিআরসির কাছে আবেদন করতে হবে। তবে এই আবেদন করতে হলে মোবাইল কেনার রশিদ ছাড়াও উপহারের যথেষ্ঠ প্রমাণ যাচাই করেই বিটিআরসি এনইআইআর সক্রিয় করারর সিদ্ধান্ত নিবে।

অবৈধ মোবাইল বন্ধে এবং গ্রাহকদের ক্ষতি এড়াতে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানা যায়।


Post a Comment

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post

ads

Post ADS 1

ads

Post ADS 1